আমাদের সম্পর্কে

  • হোম
  • আমাদের সম্পর্কে
about_image
নাসিম মেমোরিয়াল ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজে স্বাগতম

নাসিম মেমোরিয়াল ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ এর ইতিহাস

একটি স্কুলের জন্মকথা

 

বাউল গানের একটা কলি, "মানুষ হইয়া জনম লইয়া মানুষে মানুষের করলাম কী? মানুষ নিজের জন্য, পরিবারের জন্য এবং আত্মীয় স্বজনের জন্য করবে- এটা অনেকটাই প্রত্যাশিত ও স্বাভাবিক। কিন্তু মানুষের জন্য কাজ করা! মানুষের জন্যে কাজ করার কী অপার আনন্দ তা উপলব্ধি করলাম ২০১৬ সালের জানুয়ারি মাসে যখন একটি স্কুলের জন্ম হয় । আহা কী আনন্দ স্কুলের জন্ম দিতে নয়। জন্ম দানে ধাত্রী হিসেবে সাহায্য করার জন্য। একটা স্বপ্ন পুরন- একটা স্কুলের প্রতিষ্ঠা। স্কুলটির নাম- 'নাসিম মেমোরিয়াল ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ- সুখেরটেক, সোনারগাঁও, নারায়ণগঞ্জ।

 

যখন স্বপ্ন পূরণের গল্পটা শুরু ২০০০ সনের জুন মাসে  যখন ষড়যন্ত্র ও পরিবারতন্ত্রের শিকার হয়ে একক প্রতিবাদ হিসেবে  শিক্ষকতা জীবন থেকে স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহন করি। অবসর জীবন-অফুরন্ত সময়। অলস জীবনে সারা জীবনের সঙ্গী হয়ে এল বহুমূত্র রোগ' যাকে এখন আমরা বলি 'ডায়াবেটিস; এই রোগ থেকে নিরাময় নয়- রোগটিকে নিয়ন্ত্রনে রাখার জন্য শুরু হলো চন্দ্রিমা উদ্যান ও সংসদ ভবন এলাকায় সকাল বিকাল দু'বেলা হাঁটাহাটি। একটাই ইচ্ছা- হাটতে হাটতে হাসতে হাসতে মরতে পারি। যেন বিছানায় পড়ে থাকতে না হয়। মরনকে ভয় পাইনা। কবির ভাষায় পুঁহু মম শ্যাম সম (অর্থাৎ (অর্থাৎ মৃত্য তুমি আমার প্রেমিক বা প্রেমিকার মতো)।। 'তোমাকে চাই। মিলন হবে কত দিনে, আমার মনের মানুষের সনে;

 

চন্দ্রিমা উদ্যানে হাটতে হাটতেই ভাবনার মধ্যে এলো-মানুষের জন্য কিছু একটা করি। যেমন ভাবা তেমন কাজ। লেখালেখি ও শিক্ষক সমিতি করার সূত্রে পরিচয় নটরডেম কলেজের অধ্যাপিকা ও মাসিক শিক্ষাবার্তার সম্পাদক এ,এন, রাশেদার সন্ধে। এক ঝড়-বৃষ্টির রাতে তাঁকে সঙ্গে নিয়ে গেলাম গেন্ডারিয়ায় ড. হামিদা বানু-র বাসায়। তিনি রাজি হলেন একটা গর্বেষণাধর্মী প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে। জন্ম হলো-' বাংলাদেশ শিক্ষা উন্নয়ণ ফাউন্ডেশন-এর। 'বাংলাদেশ শিক্ষা উন্নয়ন ফাউন্ডেশন-উদ্যোগে আমরা দীর্ঘদিন ধরে মাধ্যমিক স্তরে ইংরেজি ও গণিতের শিক্ষকদের স্বল্প মেয়াদী প্রশিক্ষন দিয়ে আসছি।

 

নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস এর সামাজিক ব্যবসার ধারণায় অনুপ্রানিত হয়ে বাংলাদেশ শিক্ষণ উন্নয়ন ফাউন্ডেশন (অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের জন্য লাভ করা Profit unmaking for non-Profit making organization) একটি আবাসন প্রকল্প গ্রহন করে ২০০৭ সালে। এই প্রকল্পের আওতায় ফউন্ডেশন সোনারগাঁওয়ে আটশত একষট্টি শতাংশ  জমি ক্রয় করে।  যার মধ্যে আছে স্কুলের জন্য ৯০ শতাংশ এবং ফাউন্ডেশনের জন্যে ৩৩ শতাংশ। প্রকল্প পরিচালক হিসেবে জমি ক্রয় ও মাটি ভরাটে জনাব প্রফেসর কফিল উদ্দীন  গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে তিনি প্রকল্প পরিচালক হতে সম্মত না হলে ফাউন্ডেশন এর পক্ষে এই আবাসন প্রকল্প গ্রহণ করাই সম্ভব হতো না। অন্ত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে বলতে হয় কফিল সাহেব ও আমি একসঙ্গে পথ চলে প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্পন্ন করতে পারিনি। একই টানাপোড়নের সমাচারও ড.সত্য ব্রত রায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। এক পর্যায়ে কফিল সাহেব আমেরিকা প্রবাসী হলে প্রকল্প বাস্তবায়নের গুরু দায়িত্ব আমার ওপর বর্তায়।

 

২০১৫ সালের শুরু থেকেই স্কুল প্রতিষ্ঠার তোড়জোড়  শুরু হয়। শিক্ষাবিদ ইনস্টিটিউটকে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে ড. হামিদা বানু-কে চেয়ারপারসন ও ড. গাজী - আহসানুল কবীরকে সদস্য সচিব করে একটা কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি বিভিন্ন সময়ে বৈঠকে বসে তহবিল সংগ্রহ, স্কুলের নাম, শিক্ষার স্তর প্রভৃতি বিষয়ে, সিদ্ধান্ত গ্রহন করে। এমন কি স্কুল প্রতিষ্ঠার জন্য এলাকাবাসীর সাথে মত বিনিময় সভাও অনুষ্ঠিত হয়। জানিনা কী কারণে ড.কবির অক্টোবর মাসে এসে বেঁকে বসেন এবং জানান যে এ বছর স্কুল করা হবে না। অবশেষে স্কুল কমিটি ভেঙ্গে দিয়ে ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে স্কুল প্রতিষ্ঠার কাজ শুরু হয়। সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন ।

আমেরিকা থেকে বেড়াতে আসা ও কফিল সাহেব ও আমার আত্মীয় প্রকৌশলী- ইকরাম।

এলাকাবাসী বিশেষ করে দ্বীন ইসলাম সাহেব, মাওলানা রফিক ও মোশাররফ সাহেব ও শামীম স্কুল ভবন নির্মানের কাজে এগিয়ে আসেন। নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে কাজের শুরুতেই বিপত্তি। সন্ত্রাসীরা বোমা ফাটিয়ে  সব তছনছ করে দেয় । আমরা দমার পাত্র নই। আমি ও কফিল সাহেব দৃঢ়তার সাথে সাথে পরিস্থিতির মোকাবিলা করি। স্কুলের কাজ এগিয়ে চলে। অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে বলতে হচ্ছে এবারও কফিল সাহেবের সাথে পথ চলা শেষ করতে পারিনি। শেষ পর্যন্ত ভরসা এলাকাবাসী। বিশেষ করে দ্বীন ইসলাম ও মোশাররফ সাহেব। নির্ধারিত সময়ের পনের বিশ দিন পর স্কুল ভবনের কাজ শেষ হয়। ফার্নিচার তৈরি হয়ে যায়। স্থানীয়ভাবে পাঁচ জন শিক্ষক ও দুইজন কর্মচারী নিয়োগ করা হয়। শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে একটাই কড়া শর্ত, স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের প্রাইভেট পড়ানো যাবেনা। ২০১৬ সনে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়ে যায়। ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বিনা মূল্যে সরকারি বই সরবরাহ করা সম্ভব হয়।

প্রথমে ১৩২ জন ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি হলেও বর্তমানে দুই শিফটে প্লে, নার্সারি, প্রথম শ্রেণি, দ্বিতীয় শ্রেনি এবং ষষ্ঠ, সপ্তম , শ্রেণিতে ছাত্র ছাত্রীর সংখ্যা ১০৮ জন। অনুপম কুমার দাস বর্মন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির প্রথম অধ্যক্ষ ড. অনুপম কুমার দাশ বর্মন।

স্কুলটির নামকরণ ও দাতাদের বিষয়ে আলোকপাত করে এই লেখার সমাপ্তি টানছি। 

নামকরণের ইতিহাস-

এই স্কুলের নামকরণ হয় বাংলাদেশ শিক্ষা উন্নয়ন ফাউন্ডেশন-এর চেয়ারম্যান ড. হামিদা বানু-র ভাই প্রয়াত প্রকৌশলী খোন্দকার নাসিম আহমদ-এর নামানুসারে। প্রকৌশলী খোন্দকার নাসিম আহমদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত অবস্থায় কর্কট বা ক্যানসার রোগে আক্রান্ত হয়ে, মৃত্যু বরন করেন। তাঁর স্মৃতি রক্ষার্থে ড. হামিদা বানু জমি ক্রয়ের জন্য ২৫ লাখ, স্কুল ভবন নির্মানের জন্য ১ লাখ পঞ্চাশ হাজার এবং শিক্ষকদের বেতনে ভর্তুকি হিসেবে ২ লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকা দান করেছেন। তিনি পাঠ দানের সরকারি অনুমতি পেতে প্রয়োজনীয় তিন লাখ টাকা প্রদানেও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। (স্কুলের ক্রমউন্নতির ধারায় একটি ৩ তলা পাকা ভবন নির্মানের জন্য ১ কোটি এবং,স্কুলের শিক্ষকদের বেতনের বার্ষিক ঘাটতি পূরণের জন্য ২৫ লক্ষ টাকা ফিক্সড ডিপোজিট করেন )

স্কুলে অন্যান্য দাতারা হচ্ছেন 

(২)নজরুল ইসলাম মজুমদার  - ১ লাখ

(৩) নাসরিন বেগম- ১ লাখ ও

(৪)সুরমা চৌধুরী-৭০,০০০ এবং

(৫)সাজেদা বেগম-৩০,০০০ টাকা (তিনি শর্ত সাপেক্ষে ৫ লাখ টাকা প্রদানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

(৬) বাংলাদেশ শিক্ষা উন্নয়ন ফাউন্ডেশন ২০ লক্ষ টাকা ।

লেখকঃ নজরুল ইসলাম মজুমদার।

সদস্য সচিব, প্রতিষ্ঠাতা, বাংলাদেশ শিক্ষা উন্নয়ন ফাউন্ডেশন।

দক্ষ শিক্ষার্থী তৈরি আমাদের লক্ষ্য

আমদের সেবাসমূহ

Online Course Facilities

Making it look like readable English. Many desktop publishing packages and web page editors now use Lorem Ipsum as their default model text.

Modern Book Library

Many desktop publishing packages and web page editors now use Lorem Ipsum as their default model text, and a search for 'lorem ipsum' will uncover.

Be Industrial Leader

Making it look like readable English. Many desktop publishing packages and web page editors now use Lorem Ipsum as their default model.

Programming Courses

Many desktop publishing packages and web page editors now use Lorem Ipsum as their default model text, and a search for 'lorem ipsum' will.

Foreign Languages

Making it look like readable English. Many desktop publishing packages and web page editors now use Lorem Ipsum as their default model text, and a search for 'lorem ipsum' will uncover.

Alumni Directory

Many desktop publishing packages and web page editors now use Lorem Ipsum as their default model text, and a for 'lorem ipsum' will uncover.

শিক্ষকমন্ডলী

Image not found
মোঃ রাজু আহাম্মেদ

প্রধান শিক্ষাক

মানবিক

Image not found
মোঃ নূর আলম

সহকারী প্রধান শিক্ষাক

মানবিক

Image not found
হ্যাপি আক্তার

সিনিয়র শিক্ষক

গণিত

Image not found
নাদিরা নাঈম অনি

সহকারী শিক্ষক

ব্যবসায় শিক্ষা